পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কলঙ্কিনীর প্রেম

ছবি
আরে বাবা ভয় কিসের এ তো চারিত্রীক কলঙ্ক নয়।  "এত ভালোবাসার মানুষকে হারালে " এমন যদি কেও কয়। না না তুমি ভয় পেওনা, আমি ভালোবাসাহীন থাকলেও, তোমার কলঙ্ক হতে দেবোনা। আমি ভালো থাকবো, থাকবো তা নিয়ে ভেবোনা। আমি তোমায় ভালোবেসে যাবো, যে আমায় ভালোবাসেনা তাকে ভালোবেসে হয়তো শূন্য হবে জীবনের দাম। কিজানি ইতিহাস দেবে  অমর প্রমিকের নাম। সব বলে দিয়েও মনে হয় কিছু থেকে গেছে বাকি। ক্ষমা করে দিও, যদি তোমায় এইটুকু যাতনা দিয়ে থাকি।

শেষ কথা

এখন কষ্ট নিয়ে বাচতে শিখেছি,সুখের আশা করিনা, তাই আর তোমার ফেরার আশায় খনে খনে মরিনা। দুঃখ করিনা যে তুমি চলে গেলে, বরং আমি সুখি তুমি গেছো বলে। বলে গেছো, যে মানুষ তো মানুষ হয়না, র...

শেষ বেলা

তুমি নেই আসে পাশে, তবু কি তুমি আরালে? এখন তুমি আরো বেশি, রক্ত ধারায় জড়ালে। চোখ এখন পায়না দেখা, হৃদয় তোমায় দেখে। আমার বুকে আপন ছবি, গেছো তুমি রেখে। একটু খানি স্বপ্ন ছিলো, বাচবো ...

এক অর্ধ চেনা মেয়েকে

তোমার আমার আল্প দিনের পরিচয়, তবু কেন তোমায় এতো আপন মনে হয়? তোমার দু চোখে অফুরন্ত জ্যোতি দেখতে পাই, যেন সন্ধার বক ছুটেছে কোনো বাধা নাই। তুমি মেঘ হীন শান্ত আকাশের তারা। আমার ...

খোলা দ্বার

এক বেলা সুস্বাদু খাবারের লোভে রেস্টুরেন্টে যাওয়ার প্রয়োজন কি? সূর্যাস্ত দেখতে  কন্যাকুমারী যাওয়ার প্রয়োজন কি? তুমি আমার ঘরে চলে আসলেই হবে। দরজার কড়া নড়ানোর প্রয়োজন ...

পাষানী

পাষানী আজি শরতের প্রভাতে সখী পাখিরা গাহিছে গান। চিঁহি চিঁহি কোলতানে মোর জুরায় মন প্রাণ। রবির প্রথম রাঙা আলো পরেছে আমার গায়। উকি মেরে মেরে চাহিতেছে মোরে আবছা কিছু তারা...

কবিতা তোমাকে

মুখ বুঝে থাকতে থাকতে বোবা পৃথিবীতে হয়তো হয়েছি লাস। ভেবেছিলাম রাত্রি শেষে জাগাবে তুমি এনে দেবে উল্লাস। তোমার ব্যস্ততা, ঘুরেও দেখনা! কত ব্যথা এ বুক জুড়ে, তবুও হাসি। আমি জা...

দীর্ঘশ্বাস

মনে আছে একদিন দুজনেই পাশাপাশি অন্তরের ভালোবাসাকে করেছিলাম প্রকাশ? বলেছিলে,"তোমার হৃদয়ে জন্মজন্মান্তর করবো আমি বাস।" সেদিন তো তোমার বুকেই দিয়েছিলে আশ্রয়, বলেছিলে," এমন...

ইচ্ছে নিয়ে একা

ইচ্ছে আজও হয় তোমাকে ফিরিয়ে আনার, জানি তুমিও আমাকেই পেতে চাও। তবুও চেষ্টা করিনা ফিরানোর... ইতিহাস গুলো খুব স্পষ্ট ফিরে আসে মাথায়। তবুও কথা যে দিয়েছিলাম তাই আজও তোমারই আছি, ...

ফেসবুক প্রেমিকা

শোনো দেবলীনা, তুমি আমার শূণ্য বুকে বাজালে নতুন সুরের বীনা। সত্যি, জানিনা তুমি কে? কি যে তোমার তথ্য, কি বা আসে যায়? তুমি যে হও সে হও, মিথ্যা অথবা সত্য। ইচ্ছে হয়, তোমার রূপে, গন্ধ...

রয়ে গেলাম অকবি

শুনেছিলাম, প্রেমে পরলে নাকি লোকে হয়ে উঠে কবি। আমি যে পোড়া রয়ে গেলাম আজও অকবি। হাতে কলম তুলি, ভাবি লিখবো, পাছে যার জন্য লিখবো সে কি পড়বে? জানি আমার সকল লেখা তার ডাস্টবিনে ঝরব...

প্রভু

লক্ষ কোটি সবার মাঝে ছড়িয়ে আছো তাই, সব দিয়েছ তুমি প্রভু যা কিছু আমি চাই। খুঁজেছি তোমায় বাইরে প্রভু অন্তরে তুমি মোর, তাকিয়ে আমি আকাশ পানে ভাবছি বড় জোর। অন্তরে তুমি অন্তর্য...

একাকী রাত

অনেক আশায় রাত জেগেছি কওনি কথা, অপরাধ কি? তুমি ছিলে নিরবে সেথা। জানি কেউতো আছে, হয়তো তোমার দুঃখ, তাও তো আমায় কওনা। তাই তো এই অপদার্থকে কাছে টেনে লওনা। তোমাকে ভালোবেসে অবহেল...

প্রসংসা

কে, কে তুমি আমায় বাণ মেরেছো, মিথ্যে প্রসংসার? এই কারণেই হচ্ছে হয়তো আমার সকল  হার। মিত্যে সে নয়, মিত্যে সে নয়, বলছো ক্রোমাগত। আমিও তাকে সত্যি ভেবেই নিচ্ছি অবিরত। মিথ্যা কিব...

মা

মা, নে না আমায় নিজের করে, শুনেছি সকলেই তোর, জগত সংসারে। জানিস মা, আজ বড় বেথ্যা বুকে! অনেক কিছু বলতে চাই, কথা নেই মুখে। বুকে ঘাঁ নিয়ে, মায়ের কাছে এসেছে ছেলে, মা রে আজ নে না আমায় কোল...

অবসন্নতা

আমাকে কেন জোরিয়ে রেখেছে, কিছু আলস ভাব? কোনো কাজেই মন লাগেনা, দৃরতার অভাব। সারা দিন শুধু ভেবেই মরি, কি করা যায় আজ, দিন শেষ হয়ে রাত এসে পরে, , পাই নিজেই লাজ। করবো করবো ভাবতে ভাবতে, ...

প্রিয়ার স্মৃতি

ছবি
মনে নেই তুমি নিজে গেছিলে, না আমি ফিরিয়ে দিয়েছিলাম, কিন্তু আজ মনে হয়, সেদিন আমি ভুল নির্নয় নিয়েছিলাম। তুমি ছলে যাওয়ার পর, হয়েছি আমি প্রেমের ভিকারী, এখন মনে হয় জীবন তরীতে, আমি টেনেছিলাম দারী। আজ আমি হতাশ জানো, আমি একেবারে নিরুপায়। একটুখানি বেচে আছি, প্রাণ তো আমার যায় যায়। এখন আর মনে নেই তোমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম, না তুমি গেছিলে। তোবু আজ কষ্ট হয়, সম্পর্কটা নষ্ট হলো কি জানি কোন মিছিলে। তোমার কষ্ট, আমার কষ্ট, তুমি যতটা ভাবো আমি তোতটা নই নির্দয়। তুমি আমার, আমি তোমার, কপালে ছিলাম না বোধয়। তুমি সুখী হও সখি, চেষ্টা করো আমাকে ছাড়াও তুমি সুখী হবে নিশ্চয়। আমি এখন মরুভুমি, আমার মধ্যে জল খুজে, তুমি করোনা সমহয়ের অপচয়, জানিনা তুমি নিজে গেছিলে, না আমি ফিরিয়ে দিয়েছিলাম, আজ কষ্ট হয়।                      

বিস্ফোরণ

ছবি
মানবিকতার আবমাননায় হয়েছো তুমি স্মৃতি, অসমাপ্ত মানব জীবনে টানলে তুমি ইতি। এটাতো ছিলনা অন্ত তোমার, তুমি প্রাণে ছিল জীবন্ত। আজ ঘরেতে এসেছো ফিরে তুমি প্রাণহীন অজীবন্ত। পথ চেয়ে ছিল মাতৃ তোমার, প্রিয়জন কত কেহ। আশা সব তোর পুড়ে হোলো ছাই, ছাই হোলো তোর দেহ। নির্দোষী তুমি পেয়েছ শাস্তি, দোষটা ছিল কার? অমানবিক হত্যালীলার হয়েছ তুমি শিকার। চির বিরহের দুঃখ নিয়ে বুকে, নিরবে সয়েছ ক্ষতি! অসমাপ্ত মানব জীবনে টানল তারা ইতি।

সে কেনো বেশ্যা?

ছবি
আমি আজ তাকে ভালোবাসতে চাই, যাকে ঘৃর্ণা করে সবাই। তার সাথে শোয়ার সাদে ভালোবাসি না। সে দেহ বিক্রী করে পেটে খায়, হাসি না। তাকে একটু সন্মান দিতে চাই, দেখি বিপরীতে কি পাই। জানি, ভালো না তার অঙ্গ ভঙ্গিমা, করুণা করে দেখি, সেও কারো মেয়ে, কারো মা। মায়া ভরা, অশ্রুচোখে বলবো, এ কাজ করো না, সমাজের কাছে প্রতিনীয়ত বোন তুমি মরণা। কাল আবার কাওকে ভালোবাসবো, দেহের সুখ মেটাতে নয়। আচ্ছা, তোমরা কি লজ্জা দেবে? সে যদি আমায় ভাই কয়। তোমরা যদি মানো সব তার ইচ্ছায় হয়, তবে সে কেন বেশ্যা? বোন বললে নেই ভয়। মিটিয়ে দেখি তার পেটের জ্বালা, তার পরেও কি পরবে সে, এই নামের মালা? তাকে উরতে শেখাবো, দিব খোলা আকাশ, ক্লান্তি তাকে জরায়ে রাখবে না, আমার বিশ্বাস। আমি আবার কাউকে ভালোবাসতে চাই, সমাজে যার কোনো সন্মান নাই।                           

বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যা

সেদিন, মনে আছে তোমার? বৃষ্টির বিকালে তুমি আর আমি। হয়তো তখন বৃষ্টি পড়ছিলো দুজনের মনে! জানে অন্তর্যামী। আচ্ছা, আরো কোথাও কি জল ঝোরছিলো? তুমি দেখেছো? বনের আর মনের পাতাগুলো কি ...

সেই বৃষ্টির বিকাল

আমি তখন বিছানায় শুয়ে, এই একটুখানি আগেই দুপুরের খাবারটা সেরে এসেছিলাম। খাবারের পরিমাণ টা বেশি হওয়ার ফলে ঘুম ধরছিল না যদিও রোজ এর মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ি, সেদিন পড়িনি। বিছানা তে...

নষ্ট মেয়ে

ছবি
ওই মেয়ে, লোকে বলে, লক্ষন নাকি মন্দ। তোর কষ্টের মধ্যেই তারা, নেয় পৈশাচিক আনন্দ। বলে, পুরুষ যেমনি হই! আচরণ পশুর মতো। বাঘের যেমন হরিণ খাওয়া, শাস্ত্র, বিধি সম্মত। অতিব তারা নিষ্ঠুর, ইচ্ছে, তোর মাংস খেতে, মানুষ তুইও, কষ্ট আছে! ভুলে কাম লালসাতে। তলোয়ার শান দিতে চায়, তোর দেহের পরে। পরোয়া করেনা, হায় রে নষ্ট যাস যদিও মরে। পিশাচ তারা বটেই মেয়ে, তুই তো নষ্ট নস। নষ্ট শুধুই দ্রব্য হয়, মেয়ে? নেই দোষ। কত দিবি অগ্নি পরীক্ষা, সতী কি অসতী! আজকে বাধ ভেঙ্গে দে, সতীর নেই ক্ষতি।

সিগারেট

ছবি
তোমার সিগারেটে দেওয়া সুখটান, কেরেছে আমার বুকের সুখ। তোমার সিগারেটের জলন্ত আঙার, তোমার চিতাস্বরুপ। সিগারেট ও তুমি হবে নিঃশেষ,  তোমায় দেবে উপহার খুব দামী কিছু রোগ; কাফ, স্টোমা, আলসার বা কেনসার। তুমি ও সিগারেট দুজনেই পুরছো, শেষ করেছো একে অপরকে। এতো আপন করছো কেনো? সর্বনাশী ঝরকে। তোমার কোমল ঠোটের স্পর্শের জন্য আমি দিতে পারতাম প্রাণ, কিন্ত ওই ঠোটেই প্রতিনিয়ত দিচ্ছ তুমি মৃত্যুকে স্থান। কেন, আমার প্রতি এত বেশি নিষ্ঠুর তমি? কেনো অনির্বান? যে বুকে আশ্রয় দাও নি আমায়, সেই বুকে রোজ কিছু ধুঁয়া কি করে স্থান পায়? অনির্বান যে সিগারেটে মত্ত হয়ে আমায় ভুলতে চাও! সেই সিগারেট টুকুতে কি শান্তি তুমি পাও? আমাকে ভুলার জন্য সিগারেট যেদিন তুললে মুখে, সেদিন মৃত্যুকে আমন্ত্রন দিলে বুকে। তোমার আর সিগারেটের ধোঁয়ার তুমি যে করেছো, এক কৃত্রিম ভালোবাসার সৃষ্টি, এই ভালোবাসা 'কাল তোমার', প্রিয়জনের চোখে নামাবে বৃষ্টি। সকাল, দুপুর, রাতে বাড়াচ্ছো সুখ, কেনো এতো সুখী হোতে চাও? তোমার ধংস্ব, আমার ধংস্ব। অনির্বান সিগারেট ছেড়ে দাও।           ...